Bangla Shasya Bima Yojana: কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কৃষকদের জন্য রয়েছে একগুচ্ছ প্রকল্প। যারা ফসল ফলিয়ে আমাদের মুখে ভাত তুলে দেন তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় বিভিন্ন সরকার নিয়ে এসেছেন নানান প্রকল্প। মাঠে ফসল ফলানো থেকে সংসার চালানো বিভিন্ন ক্ষেত্রে এমন জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করে থাকেন কৃষকরা। এবার বাংলায় কৃষকদের জন্য নয়া প্রকল্প। আর্থিক সাহায্য পাবেন কৃষকরা। কৃষকদের ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি পৌঁছে যাবে টাকা। কিভাবে আবেদন করবেন কৃষকরা।
কৃষক বীমা প্রকল্প;
সাধারণ মানুষের জন্য রয়েছে একাধিক জীবন বীমা প্রকল্প। কৃষকদের জন্যও রয়েছে এমন প্রকল্প। যেখানে ফসলের কোন ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ পেয়ে থাকেন তারা। বাজাজ এলিয়ান্স জেনারেল ইন্স্যুরেন্স এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকার যৌথভাবে এবার কৃষকদের দেবে অর্থ। এখন চলছে খরিফ শস্যের মরশুম। ধান এবং ভুট্টার ফলনের সময় চলছে। যেসব কৃষকরা এগুলি চাষ করছেন তারাই আবেদন করতে পারবেন। এদিকে বর্ষাকালে খাতায়-কলমে চলে গেলেও এখনো পর্যন্ত প্রাকৃতিক দুর্যোগ বজায় রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ সর্বত্র বৃষ্টির দাপট। এই বীমার ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে আবেদন করলে পাওয়া যায়? মোটা টাকা।
কিভাবে মিলবে টাকা:
শুখা মরশুমে যদি ফসল রোপন করা সম্ভব না হয় তবে সর্বাধিক রাশির ২৫ শতাংশ ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায়। তবে এই ক্ষতিপূরণ বীমার শেষেই পাওয়া যাবে।। বীজ বপনের পরে যদি শস্যের ক্ষতি হয় তবে ৫০ শতাংশ কিংবা তারও বেশি ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায়। যদি স্থানীয় বিপর্যয় যেমন শিলাবৃষ্টি ঘূর্ণিঝড় বন্যা কিংবা ভূমিধসের কারণে ফসলের ক্ষতি হয় সেক্ষেত্রে ফসল তোলার ১৪ দিনের মধ্যে দেওয়া হয় ক্ষতিপূরন। সিজনের শেষে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে এবং স্যাটেলাইট ইমেজিংযের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। বাংলার শস্য বীমা করার জন্য আবেদন করতে হবে ক্যাম্পে গিয়ে। এছাড়া নিকটবর্তী কৃষি অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।
ডকুমেন্ট ও অন্যান্য:
আবেদনের সময় আধার কার্ড ভোটার কার্ড, পাট্টা, জমি অন্যের নামে হলে তার শংসাপত্র, ব্যাংকের পাস বই, ব্লক কৃষি আধিকারিক কিংবা তার অনুমোদনপ্রাপ্ত রেভিনিউ অফিসারের কপি ইত্যাদি প্রয়োজন হবে। এই বীমার জন্য আলাদা করে কোন টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই কৃষকদের। সরকারের ঘর থেকেই তারা পাবেন বীমার টাকা। শুরু হয়ে গিয়েছে আবেদন পর্ব চলবে ১৫ ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
আরও পড়ুন: Independence Day: ভারত এর সঙ্গে আরও আরও ৫টি দেশ ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবস পালন করে থাকে