লেটেস্ট খবরবিনোদনভাইরাললাইফ স্টাইলরেসিপি

Mamata Banerjee: ভোটের আবহেই লক্ষ্মীর ভান্ডারের নিয়মে বড়সর রদবদল! বড়সর ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Published on:

WhatsApp Group Join Now

Mamata Banerjee: তথাকথিত রাজ্য সরকারের বহু প্রকল্পের মধ্যে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প অন্যতম জনপ্রিয় মানুষের মধ্যে। প্রধানত রাজ্যের মা-বোনের কথা ভেবেই এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এবার এই লক্ষীর ভান্ডার নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। বাকি আর ২ দফা নির্বাচন। রাজ্যে প্রচারও চলছে জোর কদমে। দিল্লি কার দখলে থাকবে সেটা জানার অপেক্ষা আর একটা মাসের।বোঝা যাবে রাজ্যের মানুষ কোন দলকে চাইছে গদিতে। সাধারণ মানুষের মন জয় করার জন্য লোকসভা নির্বাচনের আবহেও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে প্রতিশ্রুতি। প্রতিশ্রুতি বললে ভুল হবে, বড় ঘোষণা করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

WhatsApp Group Join Now

রাজ্য সরকার পরিচালিত অন্যতম লোকপ্রিয় প্রকল্প লক্ষীর ভান্ডার। পশ্চিমবঙ্গের ঘরে ঘরে প্রতি মাসে মহিলাদের অর্থ সাহায্য করার জন্য এই প্রকল্প শুরু করেছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল সরকারের তরফ থেকে এই প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী , “লক্ষ্মীর ভান্ডার চলছে, চলবে। যাদের ৬০ বছর হয়ে গিয়েছে তারাও পাবে। আজীবন পাবেন।”

অতীতে এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার বয়স সীমা ছিল ২৫ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত। এখন সেই বাধা সরিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে মাথা পিছু সহায়ক অর্থ মূল্য। আগে এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ শ্রেণীর মহিলারা পেতেন ৫০০ টাকা করে। এখন তাদের এই টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১০০০ টাকা মাথা পিছু। তপশিলি জাতি ও উপজাতি শ্রেণীর মহিলাদের ১০০০ টাকা অর্থ সাহায্য বাড়িয়ে করা হয়েছে ১২০০ টাকা মাথা পিছু।

আরও পড়ুন: AC Machine: ঘরে AC আছে! এই সমস্যা নজরে পড়লে আজই সাবধান হয়ে যান; নচেৎ পড়তে হবে চরম বিপদে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরো জানান যে রাজ্যের জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের মধ্যে লক্ষ্মীর ভান্ডারের উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর জন্য এতদিন অর্থ দপ্তরের অনুমোদন প্রয়োজন হতো। অর্থ দপ্তরের এমন অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে অনেক উপভোক্তাদের টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে দেরি হতো। কিন্তু এবার অর্থ দপ্তরের অনুমোদন পাওয়ার জন্য অপেক্ষা না করার কারণে অনেক তাড়াতাড়ি টাকা পাঠিয়ে দেওয়া যাবে। স্বাভাবিকভাবেই উপকৃত হবেন উপভোক্তাদের বড় অংশ।

About Author
Adhrit Roy

বিগত প্রায় চার বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ায় কাজের সঙ্গে যুক্ত। যেকোনো ধরণের জেনারেল নিউজ লেখায় পারদর্শী।