লেটেস্ট খবরবিনোদনভাইরাললাইফ স্টাইলরেসিপি

Sovan-Baisakhi: বৈশাখীর কন্যাকে নিজের পদবি দিতে চান শোভন! ছেলেমেয়েদের খোঁজ নেন তিনি?

Published on:

WhatsApp Group Join Now

Sovan-Baisakhi: পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় (Sovan Chatterjee) কে নিয়ে কমবেশি সোশ্যাল মিডিয়ায় জুড়ে প্রায়ই চর্চা চলে। তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশিরভাগ চর্চা হয়ে থাকে। প্রাক্তন স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় এর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ থেকে শুরু করে সহবাস সঙ্গী বৈশাখীকে নিয়ে নিয়ে প্রায়শই বিভিন্ন খবর শোনা যায়।

বর্তমানে শোভন চট্টোপাধ্যায় রাজনীতি থেকে অনেকটাই দূরে, নিজের জীবন নিয়েই এখন ব্যস্ত তিনি। বহু বছর হয়ে গেছে ছেলে মেয়েদের সঙ্গে যোগাযোগ নেই। শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং রত্না চট্টোপাধ্যায়ের দুই ছেলেমেয়ে সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় এবং মেয়ে সুহানি চট্টোপাধ্যায়। যদিও শোভনবাবু সবসময় বলেন, ‘আমার তিন সন্তান’। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় কন্যা, মহুল ওরফে রিলিনা কে নিজের মেয়ের স্বীকৃতি তিনি দিয়ে এসেছেন বরাবর।

নিজের সন্তানদের সাথে যোগাযোগ না থাকলেও বৈশাখী কন্যাকে সব সময় আগলে রেখেছে শোভন (Sovan Chatterjee) , নিজের সন্তানের মতই থাকে যত্নে রেখেছে। একে অপরকে তারা দুষ্টু বলে সম্বোধন করে। এখনও শোভন কে বাবা সম্বোধনের করে না মেহুল। তাতে কি একে অপরকে খুব ভালবাসে তারা। মেহুলের সব বিষয়ে কড়া নজর রয়েছে শোভনের। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী মহুল। বাবার পদবি তাঁর ইচ্ছেতেই নামের পাশ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন বৈশাখী, এখন সে মহুল বন্দ্যোপাধ্যায়। শোভন চান, যেন মহুলও তাঁর নামের পাশে চট্টোপাধ্যায় পদবি লিখতে পারে।

রত্না ও শোভনের ডিভোর্স মামলায় মায়ের পাশেই ছিল ছেলে-মেয়ে। তবে কি ডিভোর্সের মামলা মিটলেই বৈশাখীর সঙ্গে আইনি বিয়েটা সেরে নেবেন এবং মেহুলকে দেবেন আবার তার বাবার পরিচয়। সেসব সময় বলবে। আপাতত একসাথেই রয়েছেন দুজনে বেশ কয়েক বছর ধরেই।

আরও পড়ুন: Akshay Kumar: সামনে এলো অক্ষয় এর ‘সরফিরা’ ছবির ফার্স্ট লুক, ৫৮ বছরের অক্ষয় কে দেখে অবাক নেটিজেনরা

About Author
Ankana Chowdhury

নমস্কার আমার নাম অঙ্কনা চৌধুরী। আমি বিগত দু'বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়াতে কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। এই দু বছরে আমি বিভিন্ন ধরনের বিষয়ের উপরে জেনারেল নিউজ লিখেছি। এবং বর্তমানে আমি অনেকটাই কাজ শিখে এই জেনারেল নিউজ লেখায় নিজেকে সাবলীল করে তুলেছি। এই কয়েক বছরে আমার অভিজ্ঞতা ভীষণই ভালো।