লেটেস্ট খবরবিনোদনভাইরাললাইফ স্টাইলরেসিপি

লাগবে না এক টাকাও! এইবার মাত্র ৪ ঘণ্টা তিন মাসের প্রশিক্ষনেই আয় করতে পারবেন মহিলারা! জানুন বিস্তারিত

Published on:

WhatsApp Group Join Now

ভারতবর্ষের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষেরা দারিদ্র সীমার নিচে অবস্থান করেন। পুরুষেরা বিভিন্ন কাজে সক্ষম হলেও মহিলাদের দমিয়ে রাখা হয়। স্বনির্ভর হতে নানান বাধা থাকে মহিলাদের। গ্রামীন এলাকার মহিলাদের এবার টাকা রোজগার করার সুবর্ণ সুযোগ। খরচ করতে হবে না এক পয়সাও বরং নিজেরাই ঘরে ঢোকাতে পারবেন লাখ লাখ টাকা। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে দেওয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণ। বাড়ির যাবতীয় কাজকর্ম হাতের কাজ সামলে এই প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন মহিলারা।

উৎকর্ষ বাংলা:

ঘরে বসে মোটা টাকা রোজগার করতে পারবেন। হাতের কাজ করে মাসে কিংবা বছরে মোটা অঙ্কের টাকা ঘরে আনতে পারবেন তারা। শুধুমাত্র পুরুষ নয় মহিলারাও সমাজ গড়ার কাজে এগিয়ে আসতে পারবেন। ঘরের কাজ করে নয় বরং বাইরের কাজ করেও নিজেরা স্বনির্ভর করতে পারবেন নিজেদের। ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলায় মহিলা এবং গৃহবধূদের দেওয়া হচ্ছে বিশেষ প্রশিক্ষণ। প্রতিদিন মাত্র কয়েক ঘন্টা করে সময় চেয়ে নেওয়া হচ্ছে তাদের কাছ থেকে। গৃহবধূ এবং গ্রামের মহিলাদের দেওয়া হচ্ছে টেলারিং প্রশিক্ষণ। হাতের কাজ একটু ভালো হলেই এবং সৃজনশীল দক্ষতা থাকলেই এই কাজ করতে পারবেন মেয়েরা। বর্তমান যুগের ছেলে ও মেয়েরা সমান।

পিঙলায় উৎকর্ষ বাংলা

ছেলেদের মত মেয়েরা যুদ্ধে যাচ্ছে কিংবা বিমানে সওয়ারি হচ্ছে। চাঁদে যাচ্ছে এবং মহাকাশে আরোহণ করছে। তবে গ্রামের মহিলারা কেন পিছিয়ে থাকবেন। যেকোনো কাজেই তারা এগিয়ে আসতে পারেন। তাইতো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চালু করেছেন উৎকর্ষ বাংলা প্রকল্প। যার সাহায্যে প্রান্তিক গ্রামীণ এলাকায় মহিলারা সেলাইয়ের কাজ করে স্বনির্ভর হতে পারবেন।

আরও পড়ুন: Sonakshi-Zaheer Wedding: “ঈশ্বর-আল্লাহ্ সাক্ষী, তোমার চোখে দেখেছিলাম…,” বিয়ের পরেই স্বামীর ব্যাপারে লিখলেন সোনাক্ষী

হাতে-কলমে এই সেলাইয়ের কাজে সহজেই মোটা অংকের টাকা রোজগার করতে পারবেন।। তিন মাস ধরে প্রতিদিন ৪ ঘন্টা প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। একেবারে বিনামূল্যে চলছে এই প্রশিক্ষণ। প্রথমে রুমাল তারপর সেখান থেকে সালোয়ার কামিজ জামাপ্যান্ট তৈরি করা শিখছেন তারা।শুধু তাই নয় এই প্রশিক্ষণের শেষে আবার দেওয়া হবে শংসাপত্র। বাড়িতেই নিজেরা দোকান করে কিংবা নিজেদের কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দিতে পারেন।

কাজের সুযোগ:

প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কাজ করবার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। টেলারিং প্রথম পাঠ শুধুমাত্র পরিয়ে নয় শিখিয়ে দিচ্ছেন শিক্ষকরা। ইতিমধ্যেই বহু মেয়ে সাবলম্বী হয়েছেন। তারা এখন নিজেদের তৈরি জামা কাপড় বিক্রি করছেন বাইরে। আবার কেউ কেউ বাড়িতে দোকান খুলেছেন। স্বাভাবিকভাবেই উৎকর্ষ বাংলা প্রকল্পের আওতায় এই টেলারিং প্রশিক্ষণ শিবির মহিলাদের নতুন পথের দিশা দেখিয়েছে তা বলাই বাহুল্য।

About Author
Adhrit Roy

বিগত প্রায় চার বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ায় কাজের সঙ্গে যুক্ত। যেকোনো ধরণের জেনারেল নিউজ লেখায় পারদর্শী।